বিএনপি নেতা ড. মোশারফ হোসেনের বাসভবনে ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলার চেষ্টা : ইটপাটকেল নিক্ষেপ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৭ মাস আগে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশারফ হোসেনের উপস্থিতিতে তার বাসভবনে শনিবার সকালে দাউদকান্দি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলার চেষ্টা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি জাহাঙ্গীর আলম।

উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি জাহাঙ্গীর আলম জানান , সকাল ১০টার সময় মোশারফ স্যার তার বাসভবনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে তিতাস উপজেলায় একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। এ সময় আমরা নেতাকর্মীরাও ছিলাম। স্যারের বাসা থেকে একশ গজ সামনে যেতেই পুলিশের উপস্থিতিতে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম, হাইব্রিড আওয়ামীলীগার আলামিন সরকার ও যুবলীগের ইয়াকুবের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগ যুবলীগ ক্যাডার একটি মিছিল নিয়ে এসে অতর্কিত ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে মোশারফ স্যারের নির্দেশে স্যারসহ আমরা স্যারের বাসার ভিতরে গিয়ে গেইট লাগিয়ে দেই। তখন ঐ ক্যাডাররা স্যারের বাসার গেইটে লোহার রড দিয়ে বেধরক পিটায় এবং বাসার ছাদে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দাউদকান্দি সার্কেল) মোঃ ফয়েজ ইকবালসহ পুলিশ এসে স্যারকে তিতাস যেতে সহায়তা করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেন, আমি যখন বাসা থেকে বের হয়েছি তখন ওরা এসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা শুরু করে। এটা আসলে তাদের দোষ না। এটা এই ছাত্রলীগ ও যুবলীগ ছেলেদের নেতার দোষ। এই নেতা তার কর্মীদের যে প্রশিক্ষন দিয়েছে তারা এর বাহিরে আর কি শিখবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে দাউদকান্দি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, আমরা তাদের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছি বলে যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা মোশারফ সাহেবকে দাউদকান্দিতে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে একটি মিছিল বের করি। আমাদের মিছিলে তাদের হামলায় আমাদের ছাত্রলীগ নেতার মাথা ফেটে গেছে। বিশ^াস না করলে গৌরীপুর হাসপাতাল এসে দেখে যান।

পুলিশের উপস্থিতিতে ইটপাটকেল নিক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দাউদকান্দি সার্কেল) মোঃ ফয়েজ ইকবাল বলেন, মোশারফ সাহেব যখন বাসা থেকে বের হয়েছে তখন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের একটি মিছিল আসতেছিল। এ সময় সামান্য ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়। পরে আমি গিয়ে মোশারফ সাহেবকে নিরাপদে তিতাস পৌছে দিতে সাহায্য করি।