‘ম্যাগনেটিক’ পিলার নয়, পুকুরে মিলল মাটির পাত্র

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ মাস আগে

লক্ষ্মীপুর  প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জের পজুমিয়া বাড়ির পুকুর থেকে সীমানা পিলার বলে যে বস্তুুটি পাওয়া গিয়েছে সেটি আসলে মাটির তৈরি একটি পাত্র বলে পুলিশ জানায়। বর্তমানে সেটি লক্ষ্মীপুর সদর থানা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

এর আগে আম খুঁজতে গিয়ে পুকুরে লোহার ফলেপ লাগানো ‘ব্রিটিশ ম্যাগনেটিক’ পিলার পাওয়া যায় বলে এ নিয়ে এলাকায় কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। পিলারে এনএসটি খোদাই করা রয়েছে।

রোববার সকালে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চরমনসা গ্রামের ফজু মিয়ার বাড়ির পুকুরে পিলারটি পাওয়া যায়। পিলারটি দেখতে মটারসেলের মতো। আবার অনেকটা রকেট লান্সারের মতোও মনে হয়।

জানা গেছে, পুকুর পাড়ের গাছ থেকে আম পাড়ার সময় আমগুলো পানিতে পড়ে ডুবে যায়। এতে স্থানীয় বাসিন্দা মিতাব রহমানসহ কয়েকজন আম খুঁজতে পুকুরে নামে। এক পর্যায়ে এনএসটি খোদাইকৃত লোহার পিলারটি পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক কৌতুহলবশত মানুষজন ওই বাড়িতে ভিড় জমায়।

স্থানীয় বাসিন্দা মিতাব রহমান বলেন, আম খুঁজতে গেলে পুকুরের মাটির নিচে পিলারটি পাই। এ প্রাচীন বস্তুটি এখানে কীভাবে এল, এনিয়ে প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। আর এটি ম্যাগনেটিক পিলার নাকি সাধারণ পিলার বুঝতে পারছি না। পিলারটি এখন আমার কাছেই রয়েছে।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরান হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমাকে কেউ জানায়নি। খোঁজ নেয়া হচ্ছে।

কথিত আছে, ব্রিটিশ শাসন আমলে বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য এই প্রযুক্তির পিলারগুলো সারাদেশ জুড়ে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল। একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর ফ্রিকোয়েন্সি মেপে পিলারগুলো তখন স্থাপন করা হয়েছিল। সে সময় এসব পিলার রেডিও ইলেকট্রনিক তরঙ্গের সাহায্যে ভূমি জরিপ, ম্যাপ প্রস্তুত ও বিমান চলাচলেও সহযোগিতা করতো।

এসব পিলারের কারণে বজ্রপাত হলেও মানুষ মারা যেতো না বলে প্রবীণদের কাছ থেকে গল্প শোনা যায়।