চিঠিটির বিষয়ে জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছে প্রতিবেদক। কর্মকর্তারা জানান, ‘এ ধরনের চিঠিতে প্রত্যাহারের আদেশদানকারী সিনিয়র কর্মকর্তার নাম থাকে এবং চিঠির অনুলিপি বিধি মোতাবেক সিনিয়র কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরকে অবহিত করা হয়। বিভিন্নভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে চিঠিটি শতভাগ ভুয়া। কর্মকর্তারা বলেন, ‘কুমিল্লায় অস্ত্র, মাদক উদ্ধার, সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী গ্রেপ্তারসহ সম্প্রতি স্বচ্ছভাবে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে পুলিশ সুপারের কাজে কেউ হয়তো খুশি হতে না পেরে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।’
তারা আরও জানান, পুলিশের নতুন পোশাকের মান ও পুলিশ সদস্যদের ৯৬ শতাংশ সংক্ষুব্ধ- এই বিষয়ে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার বিবৃতি দেন। এতে পুলিশ বাহিনীর পোশাকের পরিবর্তন নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত দেন; যে পুলিশের নতুন পোশাক পরিবর্তন করে আগের পোশাকে ফিরে যাবে । নতুন পোশাকে যারা লাভবান হয়েছিল তারা অনেক টাকার অংকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কোনও সুবিধাভোগী মহল মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। সুযোগ পেলেই তারা এই মিথ্যা কাজে অংশগ্রহণ করে থাকে।
বিসিএস ২৫ তম ব্যাচের কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান পুলিশ সুপার হিসেবে গত বছরের ২৯ নভেম্বর কুমিল্লায় যোগদান করেন। এর আগে তিনি ঢাকা পুলিশ সুপার পদে দায়িত্ব পালন করেন। একই বছরের ১ মে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএ) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।