ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে কলেজছাত্রকে হত্যার অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি।।
প্রকাশ: ৭ মাস আগে

নোয়াখালীর মাইজদীতে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে আতিকুল ইসলাম তিতাস (২৫) নামে এক কলেজ ছাত্রকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।  তবে পুলিশ বলছে, এখনো ওই কলেজছাত্রের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানে না।

শনিবার দুপুরে জেলা শহরের মাইজদী  বিবি কনভেনশন হল সেন্টারের বহুতল ভবনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তিতাস চৌমুহনী পৌরসভার হাজীপুর এলাকার শহীদ চেয়ারম্যান বাড়ির আব্দুল গনির ছেলে।

নিহতের বড় ভাই আরিফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তিতাস নোয়াখালী সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। আমাদের বাড়ি চৌমুহনী পৌরসভা এলাকায় হলেও আমরা গত ২০-২৫ বছর ধরে নোয়াখালী জেলা পৌর এলাকার জেল রোডের আক্তার ভবনের তৃতীয়তলায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন।  সে সকালে বাসা থেকে বের হয়ে যান তিতাস। দুপুরের দিকে মাইজদী শহরের বিবি কনভেনশন হল সেন্টারের বহুতল ভবনের ছাদে কে বা কারা কলেজছাত্র তিতাসকে বেধড়ক নির্যাতন করে নিচে ফেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ভাই আরও জানান, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে চলে আসি। তিতাসের হাত ভাঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে, পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গলায় কাটা ও আঘাতের চিহ্ন আছে। তবে কে বা কাহার এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানি না।

সুধারাম মডেল থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) আবু তাহের বলেন, ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে নাকি ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছে; বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ তদন্ত করছে। মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর এবং অধিক তদন্ত করার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।