জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। একই সঙ্গে বন্যা ও খরা মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের তেমন ভূমিকা না থাকলেও এর বিরূপ প্রভাব দেশটিকে বহন করতে হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনে আরও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।
পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বন্যা ও খরার প্রভাব মোকাবিলায় সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনে মিঠা পানির প্রবাহ বাড়ানো এবং বৃহৎ জলাধারের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের লক্ষ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে সরকার।
একই সঙ্গে পানি সংরক্ষণ ও দূষণ রোধে অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ জোরদার করার পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে সরকার ১৯৯২ সালের ‘ওয়াটার কনভেনশন’ স্বাক্ষর করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।