বিএসসি ডিগ্রিধারী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের মধ্যকার সমস্যা নিরসনে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনো সম্ভাবনা নেই’। এ সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা হলেও কোনো সুপারিশ করা হয়নি এবং সুপারিশ করা হবে না বলেও জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিএসসি ডিগ্রিধারী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের মধ্যকার বিদ্যমান সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে গঠিত উপদেষ্টা কমিটি বুধবার (২৮ জানুয়ারি) একটি সভা করেছে। এ সভাকে কেন্দ্র করে একটি বিভ্রান্তিকর তথ্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছে যে, এ সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু কোনো সুপারিশ চূড়ান্ত হয়নি। বর্তমান সরকারের মেয়াদে এ প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের সম্ভাবনা নেই। কাজেই এ বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝির কোনো সুযোগ নেই।
জানা যায়, নামের আগে বা পরে ‘প্রকৌশলী’ শব্দটি কারা ব্যবহার করতে পারবেন—এ নিয়ে বিএসসি এবং ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। এ নিয়ে দুপক্ষই বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করেছেন।
উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদটি শুধু ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের জন্য কেন নির্ধারিত এবং এ পদে কেন বিএসসি ডিগ্রিধারীরা চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেন না—তা নিয়ে আপত্তি তোলেন বিএসসি ডিগ্রিধারীরা। এর পাল্টা অবস্থান নেন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা।
উভয়পক্ষের এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানে বুয়েট ও বিভিন্ন পলিটেকনিক এবং ডুয়েটের শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি সমাধানে উপদেষ্টাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে সরকার
বুধবার অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা কমিটির সভায় ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে সুপারিশ করা হয়েছে—এমন তথ্য ছড়িয়ে ওইদিন রাত থেকে আন্দোলনে নেমেছেন কারিগরি ছাত্র আন্দোলন তথা পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা।