মাহতাবের বাবা মিনহাজুর রহমার ভূঁইয়া জানান, মৃত্যুর আগে আমার সোনা মানিক আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিল, ‘বাবা আমার জন্য টেনশন করো না, আমি সুস্থ হয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।’
গত ২১ জুলাই হঠাৎ স্কুল ভবনে বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক হতাহত হন।
এ ঘটনায় মাহতাব রহমান ভূঁইয়াকে (১৫) গুরুতর আহত অবস্থায় সেনাবাহিনী উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চতুর্থ তলার আইসিইউর (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।
মাহতাব ওই স্কুলের ইংলিশ ভার্সনের সপ্তম শ্রেণিতে পড়তো। মাইলস্টোন স্কুলে তার শিক্ষার্থী কোড নম্বর ছিল ১০১৪। দুর্ঘটনায় তার শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুর্ঘটনার পর ঝলসে যাওয়া একটি ছেলের দৌড়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ছেলেটিই মাহতাব।
মাহতাব রহমান ভূঁইয়া কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার চুলাশ গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির মিনহাজুর রহমার ভূঁইয়া ও লিপি আক্তার দম্পতির একমাত্র ছেলে। মাহতাব তিন ভাই বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিল। তার বড় বোন নাবিলা একই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং ছোট বোন নাইসার বয়স তিন বছর।
