৯৯৯-এ ফোনে বাস চোর আটক করল কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে এক যাত্রীর ফোন পেয়ে কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাসসহ এক চোরকে আটক করেছে। মঙ্গলবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড এলাকা থেকে বাসটি আটক করা হয় বলে কুমিরা হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাকির রাব্বানী জানিয়েছেন।
আটক ৩০ বছর বয়সী শহিদুল ইসলাম (৩০) চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার রশিদুল ইসলামের ছেলে। ওসি জাকির রাব্বানী বলেন, “মঙ্গলবার ভোরে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার জৈষ্ঠ্যপুরা এলাকা থেকে একটি মিনিবাস চুরি করে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল। পথে যাতে ধরা না পড়ে তাই শহিদুল পথে পথে যাত্রীও তুলছিলেন। কিন্তু তার গাড়ি চালনার গতি দেখে এক যাত্রী জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে।
“পরে তার দেওয়া তথ্যে আমরা বাসটি আটক করি। বাসটির মালিক চট্টগ্রাম সিটিতে চলাচলকারী বোয়ালখালীর জ্যৈষ্ঠপুরা এলাকার ভানু দে নামের এক ব্যক্তি।” কুমিল্লা রিজিয়ন হাইওয়ের পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম বিডিনিউ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন করে শরীফ হোসেন নামে এক বাস যাত্রী বলেন যে, মহাসড়কে বাসের চালক বেসামাল হয়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাচ্ছে। এতে যাত্রীদের জীবন বিপন্ন হওয়ার হুমকিতে পড়েছে।
“পরে ওই যাত্রীর মাধ্যমে গাড়ির অবস্থান জানার পর সীতাকুণ্ডের ইদুলপুর এলাকার একটি হোটেলের সামনে থেকে বাসটি আটক করে পুলিশ। এ সময় বাসের চালককে গাড়ির কাগজপত্র দেখাতে বললে সে ব্যর্থ হলে পুলিশ তাকে আটক করে।” হাইওয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলছেন, “আটক চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে, বাসটি চুরি করে সে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিল। পরে কুমিরা হাইওয়ে থানা চট্টগ্রামের বাস মালিক সমিতির মাধ্যমে বাসের প্রকৃত মালিককে খোঁজ করে তার নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে যোগাযোগ করে।
“এদিকে গত ৬ জুলাই বাড়ির সামনে থেকে বাস চুরি হবার ঘটনায় মালিক ভানু দে একটি মামলাও দায়ের করেছেন। ওই মামলায় শহিদুলকে বুধবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।” কুমিরা হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাকির রাব্বানী বলেন, বাস চুরির ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় যে মামলা দায়ের হয়েছে, সেই মামলায় আটক শহিদুলকে বোয়ালখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বাসটি আসল মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।