সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত খান জানান, মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান গত বছরের ৫ আগস্টের আগে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার পদে কর্মরত ছিলেন।
পরে তাকে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলায় অবস্থিত এপিবিএন-২-এ বদলি করা হয়। সেখানে তিনি গেল বছরের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। ১৪ অক্টোবর থেকে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে হাজির না হওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সেই থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
বিএসএফ কর্মকর্তারা এ ঘটনাকে ‘বিরল এবং গুরুতর অনুপ্রবেশের চেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বিএসএফ ওই কর্মকর্তাকে আটক করার পর তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। তদন্তকারীরা এই অস্বাভাবিক অনুপ্রবেশের পেছনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখছেন। তারা জানার চেষ্টা করছেন, ওই কর্মকর্তা একা, নাকি কোনো বৃহত্তর চোরাচালান বা অন্য কোনো চক্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএনআইকে বলেন, ‘একজন কর্মরত বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তার এমন অনুপ্রবেশের চেষ্টা সত্যিই বিরল। এটি সীমান্ত নজরদারি এবং দুই দেশের মধ্যকার গতিশীলতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।’ কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেন, তার প্রবেশের কারণ ব্যক্তিগত ছিল, নাকি কোনো বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ ছিল, তা তদন্তের পরেই জানা যাবে।
কাকডাঙ্গা বিজিবির সুবেদার কামরুজ্জামান জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
