পরে অফিসে বসেই বিষয়টি নিয়ে অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সাথে মুঠোফোনে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রকৌশলীর উদ্দেশে সংসদ সদস্য বলেন, ‘পাবলিক হেলথের নিজেরই স্বাস্থ্য ঠিক নাই, এটা ক্লোজ (বন্ধ) করা দরকার।’
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, নির্বাহী প্রকৌশলীর ফাঁকা কক্ষে বসেই এমপি মনিরুল হক চৌধুরী হাজিরা খাতা দেখতে চান। এ সময় একজন কর্মচারী ঈদের আগের কিছু হাজিরায় আজ স্বাক্ষর করার বিষয়টি এমপির নজরে আসে।
তখন ওই কর্মচারীকে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘এটা সরকারি অফিস না? তুমি কি এখানে ফুটবল খেলতে এসেছ? আগের হাজিরা আজ কেন?’ তখন ওই কক্ষ থেকেই কর্মকর্তাদের অপস্থিতির বিষয়টি এমপি অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে অবহিত করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘অফিস অলমোস্ট খালি। একজন কর্মচারী আগের হাজিরায় আজ সাইন করেছে। এত খারাপ আগে দেখিনি। আমি এ বিষয়ে নোট দেব। আপনাকে আগেও বলতে চেয়েছি। পাবলিক হেলথের নিজেরই তো হেলথ ঠিক নেই। আমার মনে হয় এটা ক্লোজ (বন্ধ) করা দরকার।’
প্রধান প্রকৌশলী বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বাস দেন।
পরিদর্শনের বিষয়ে এমপি মনিরুল হক চৌধুরী সমকালকে বলেন, ‘কর্মকর্তারা ঢাকায় বসে কুমিল্লায় অফিস করবেন, তা আর হতে দেওয়া হবে না। এতে সেবাপ্রত্যাশীদের ভোগান্তি বাড়ে। ঈদের ছুটির পর যথাসময়ে ওই কর্মকর্তাদের কর্মস্থলে আসার দরকার ছিল।’
তিনি বলেন, ‘এমন তো নয়, ওরা তো ছুটিতে ছিলেন। সকল সরকারি অফিস মনিটরিং করা হবে। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গেও কথা বলব।’