সাগরকন্যা কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর দিগন্তজোড়া সূর্যাস্ত উপভোগ করতে ভ্যানে চেপে সৈকত ঘুরে দেখলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে ভ্যানে চড়ে লেম্বুরবন এলাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন তারা। এসময় সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখেন দুই জনপ্রতিনিধিসহ বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ এবং সরকারি কর্মকর্তারা।
‘কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল-২০২৬’ উপলক্ষে তাদের এ ভ্রমণ ঘিরে পর্যটকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। ভ্যানে চড়ে সৈকতসংলগ্ন এলাকা ঘুরে দেখার মধ্য দিয়ে তারা কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাছ থেকে উপভোগ করেন। বিকেলের সোনালি আলোয় সাগরের ঢেউ আর দিগন্তে সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য তাদের এ ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
এসময় তাদের সঙ্গে ছিলেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা জেসমিন জুঁই, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামান, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাশু সরকার কুট্টি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী এনডিসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর কুয়াকাটায় দুই দিনব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উৎসবকে কেন্দ্র করে সৈকতজুড়ে চলছে নানা আয়োজন। বিচ ফুটবল, ঘুড়ি উৎসব, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি পর্যটন খাতের উন্নয়ন এবং কুয়াকাটাকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আয়োজন কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনাকে আরও বিস্তৃত করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।