কাজী আসফিন ।।
বাংলাদেশে এডিস মশা বর্তমানে একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য উদ্যোগের কারণ যা ডেঙ্গু রোগের বাহক। কুমিল্লা জেলায় এডিস মশার উপদ্রব এবং এর ফলে সৃষ্ট ডেঙ্গু পরিস্থিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে যুব রেড ক্রিসেন্ট কুমিল্লা জেলা প্রতিরোধে সচেতনামূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। গতকাল রোজ রবিবার কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুলে তারা জনসচেতনামূলক সেমিনারের আয়োজন করে। এই সেমিনারে তাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো:
🔹 জনসচেতনতা বৃদ্ধি
🔹 পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা
🔹 ডেঙ্গু বিস্তার রোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ অনেক বেশি। এডিস মশার কামড়ে বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছে।
এই বিষয়ে যুব রেড ক্রিসেন্ট কুমিল্লা জেলার ভারপ্রাপ্ত যুব প্রধান ফয়সাল আহমেদ বলেন,ডেঙ্গু একটি গুরুতর মশাবাহিত রোগ।ডেঙ্গু থেকে বাঁচার মূলমন্ত্র হলো মশার কামড় এড়িয়ে চলা এবং মশার বংশবিস্তার রোধ করা। আমরা যদি আমাদের চারপাশ পরিষ্কার রাখি তাহলেই এই মশার বংশবিস্তার থেকে বাঁচা যাবে।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুমিল্লা নির্বাহী সদস্য ও দৈনিক কুমিল্লার জমিনের সম্পাদক শাহাদাত এমরান বলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুমিল্লা ইউনিট বিশ্বাস করে ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার বিস্তার থেকে জনগণকে রক্ষা করতে হলে জনসচেতনতার কোন বিকল্প নেই। এই দুটি রোগ যেন সমাজে বিস্তার না করতে পারে তাই এটা আমরা সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে চাই।
এই বিষয়ে যুব রেড ক্রিসেন্ট কুমিল্লার সহকারী পরিচালক ও ইউনিট লেভেল কর্মকর্তা , ফাহাদ আল নূর সাজিদ বলেন,ডেঙ্গু এখন আর শুধু মৌসুমি রোগ নয়—এটি জাতীয় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। এই রোগের একমাত্র প্রতিরোধের উপায় হলো সম্মিলিত সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা।
এই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS), কুমিল্লা ইউনিট, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ব্র্যাক-এর সঙ্গে যৌথভাবে “ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা কর্মসূচি-২০২৫” সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।