পাঁচ মিনিটের ফটোসেশনের জন্য আসামীকে হাতকড়া, চার পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

২৫ জুনের আদালত প্রঙ্গণের ফুটেজকে উভয় পক্ষের চ্যালেঞ্জ
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ সপ্তাহ আগে

স্টাফ রিপোর্টার।।
কুমিল্লার আদালতে পাঁচ মিনিটের জন্য আসামীকে হাতকড়া পড়িয়ে ছবি তুলে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বাদী পক্ষের সাথে একই বাইকে আদালতে প্রবেশ ও পাশাপাশি বসে সিঙ্গারা খাওয়ার পর ফটোসেশনের জন্য আসামীকে হাতকড়া পড়ানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে বিবাদীর। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার ও চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভোক্তভোগী। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলছেন, যাচাই করে ঘটনা সত্য হলে, ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ব্রাক্ষণপাড়া বড় ধুশিয়া গ্রামের বোরহান মোল্লার ছেলে জালাল উদ্দিন রুমি

লিখিত অভিযোগে রেয়াজুল হক বলেন, গত ২৫ জুন আমি আদালতে হাজির হই। পুলিশ সদস্যরা আমাকে পাঁচ মিনিটের জন্য বাদী জালাল উদ্দিনের কথায় হাতকড়া লাগায়। ইকবাল নামের একজন ছবি তোলার পর আবার হাতকড়া খুলে ফেলে। এসব ছবি আমার গ্রামের মানুষের নিকট প্রিন্ট করে বিতরণ করে। ফেসবুকে প্রচার করে। পত্রিকায় প্রচার করে। পুলিশ  ও ইকবাল একই বাইকে কোর্টে প্রবেশ করে । পুলিশ মনজুর, শাহজাহান আমাকে খারাপ ভাষায় গালি গালাজ করে। কন্সটেবল সনতোষ হাতকড়া লাগায়। কোর্টে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। ফুটেজ দেখে সঠিক বিচার হোক। রেয়াজুল হক স্ত্রী হামিদা বেগম জানান, পুলিশ সদস্য জহির গত ৩০ মে রাতে কয়েকজন গুন্ডা নিয়ে বাসায় এসে হুমকি দিয়ে যায়। এসব ছবি আমি প্রিন্ট করে রেখেছি। তাদের হাতে পিস্তল ছিলো। ব্রাক্ষণপাড়া বড় ধুশিয়া গ্রামের বোরহান মোল্লার ছেলে জালাল উদ্দিন রুমি’র সহচর পুলিশ সদস্য জহির। রুমি টাকা পয়সা দিয়ে জহিরের মাধ্যমে এসব কাজ করেছে।

 

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য জহিরুল ইসলাম বলেন, এ কাজের সাথে আমি নেই। আমি কেনো যুক্ত হবো? তাদের সাথে আমার জমি নিয়ে বিরোধ নেই। সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজে যদি আমাকে দেখাতে পারে, আমার ফাঁসি হবে।

 

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পুলিশ ইন্সপেক্টর মজিবুর রহমান বলেন, আদালতে লিখিত অভিযোগ জমা হয়েছে। এ বিষয়ে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (ক্রাইম এন্ড অপস্)খন্দকার আশফাকুজ্জামান, বিপিএম জানান, যাচাই করে ঘটনা সত্য হলে, ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।