মুরাদনগরে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি, পুরোনো মামলায় চলছে গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

কয়েক মাস পর আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের নেয় এবারও নির্বাচন ও বিএনপির একদফার আন্দোলনকে সামনে রেখে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি ও আটকের অভিযোগ উঠেছে মুরাদনগর ও বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশের বিরোদ্ধে। নতুন মামলার পাশাপাশি পুরোনো মামলার জামিন বাতিল ও দেশের বিভিন্ন থানার অচেনা আসামি হিসেবেও গ্রেফতার শুরু হয়েছে মুরাদনগর উপজেলায়।
রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে মুরাদনগর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে এ তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।
গত রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়ন যুবদলের আহŸায়ক সবুর খানঁ ও একই ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহŸায়ক এমরান হোসেনকে গ্রেফতার করে মুরাদনগর থানা পুলিশ। পরে সোমবার সকালে কুমিল্লা মহানগরীর কোতয়ালী মডেল থানায় গত ১০ জুনে হওয়া একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কুমিল্লার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন অঞ্জন বলেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পূর্বের নির্বাচনের মতো বিরোধীদলকে কোনঠাসা করতে এই জালিম সরকার পূরন কৌশলে এগোচ্ছে। পুলিশ অন্যায়ভাবে হয়রানিমূলকভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করছে। এই পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেফতারের খবর পেয়েছি। যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বিরোদ্ধে কোন মামলার ওয়ারেন্ট ছিল না। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, বিএনপির গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে বাধাগ্রস্থ করতে এভাবে অন্যায়ভাবে আটক করা গণতন্ত্রের মধ্যে পড়ে না। এসব কাজ করে পুলিশ প্রশাসন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। আর আটক করে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না। যেকোনো মূল্যে বিএনপির এক দফা এক দাবি এই জালিম সরকারের আন্দোলন সফল করবোই।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল বারী ইবনে জলিল এর সরকারি মোবাইল ফোন নাম্বার ০১৩২০১১৪২৫৬ নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।