২৫ মণের কালোমানিকের দাম ১০ লাখ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

হলেস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের কালো মানিকের ওজন ২৫ মণ। দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা। ক্রেতাদের দরকষাকষিতে ষাঁড়টির দাম উঠেছে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু খামারির প্রত্যাশা কালোমানিক আরও বেশি দামে বিক্রি হবে।

কালো রঙের এ ষাড়টির মালিক পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার অরণকোলা গ্রামের গোলাম কিবরিয়া সোহান। তার ‘ওয়ান স্টপ ক্যাটল র‌্যান্স’ ডেইরি ফার্মে কোরবানির জন্য ১৫০টি ষাঁড় গরু প্রস্তুত করা হচ্ছে। এসব গরুর মধ্যে সবচেয়ে বড় কালোমানিক।

গোলাম কিবরিয়া সোহান বলেন, কালোমানিককে দেড় থেকে দুই বছর ধরে লালন-পালন করছেন তিনি। তার খাবার মেন্যু রাজকীয়। তাকে নিয়মিত খড়, ভুষি, ভুট্টার আটা, চালের খুদ ও ছোলা বুটসহ চিটাগুড় খাওয়ানো হয়। এছাড়াও কলা, চিড়াসহ দামি খাবার দেওয়া হয়। তাকে দু’বেলা গোসল করানোসহ পরিচর্যার জন্য লোক নিয়োগ করা হয়েছে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। আশা করছি কালোমানিককে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নিজস্ব আরও চারটি ডেইরি ফার্ম রয়েছে। এসব ফার্মে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের ছোট-বড় শত শত গরু রয়েছে। শুধু কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য আলাদাভাবে ১৫০টি গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব গরু এক লাখ ৫০ হাজার থেকে থেকে চার লাখ টাকায় বিক্রি হবে।

তিনি বলেন, এখানে সরাসরি বিক্রির পাশাপাশি অনলাইনেও গরু বিক্রি করা হয়। অনলাইনে প্রতিদিন ৫-১০টি গরু বিক্রি হচ্ছে। এবার করোনার প্রাদুর্ভাব কম থাকায় ক্রেতারা সরাসরি ফার্মে এসে দেখে শুনে গরু কিনবেন। এজন্য আমরা আগে থেকেই সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, পশু খামার বা ডেইরি ফার্মগুলোর ব্যাপারে সবসময় খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। প্রতিটি এলাকায় ডেইরি ফার্মগুলো দেখভালের জন্য টেকনিশয়ান রয়েছেন। এছাড়া খামারিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ছাড়াও বিনামূল্যে ভ্যাকসিন, ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।