গজারিয়ায় মাজারের ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদন

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৮ ঘন্টা আগে

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাংলাদেশ ওয়াক্‌ফ প্রশাসনের তালিকাভুক্ত মাজার ও মসজিদের সম্পত্তিতে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গজারিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মাজার ও মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক।

সোমবার (২ নভেম্বর ২০২৬) গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ইমামপুর এলাকার হযরত আঃ বাতেন শাহ চিশতি (বড় মসজিদ) মাজার ও মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রফিকুল ইসলাম খান (৫৫) অভিযোগটি দায়ের করেন। এতে চর বাউশিয়া এলাকার মৃত নূর মিয়ার স্ত্রী রেহেনা আক্তারকে (৫১) বিবাদী করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পিটিশন মোকদ্দমা নম্বর ৪৯১/২০২৬-এর আওতায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তা সত্ত্বেও বিবাদী ওই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।

অভিযোগকারীর দাবি, নির্মাণকাজে বাধা দিতে গেলে তাঁকে ও মাজার-মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি রাতের আঁধারেও নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে।

লিখিত আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিরোধপূর্ণ জমির একটি অংশে দীর্ঘদিন ধরে হযরত আঃ বাতেন শাহ চিশতি মাজার ও মসজিদ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। জমিটি বাংলাদেশ ওয়াক্‌ফ প্রশাসনের তালিকাভুক্ত সম্পত্তি বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী। সম্পত্তির সীমানা ও মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এ অবস্থায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখা, বিরোধপূর্ণ ওয়াক্‌ফ সম্পত্তিতে নির্মাণকাজ বন্ধ করা এবং মাজারের ভেতরে বসবাস ও স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে গজারিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন অভিযোগকারী।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত রেহেনা আক্তারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।