তিনি বলেন, সংঘর্ষে না গিয়ে দুই নেতা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছেন। একেই বলে রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতা। রাষ্ট্রনায়ক সব সময় জনগণের শান্তির কথা চিন্তা করে কোনো বিভাজনে না গিয়ে আমাদের একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের সুযোগ করে দিয়েছেন। অনেকের পছন্দ হয়নি। কারণ নির্বাচন হলেই তাদের বিপদ। এখন নির্বাচন নেই তাই তাদের অনেক গুরুত্ব। নির্বাচন হলে জনগণের ভালোবাসার দল ক্ষমতায় এলে তাদের গুরুত্ব কমে যাবে, এটা তারা জানে। যে কারণে ওরা নারাজ হয়েছে। এজন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে তারা হাজির হয়নি।
এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ফখরুল বলেন, যারা আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করে, জোর করে অধিকার হরণ করে, চাঁদাবাজি করে- তারা তো আওয়ামী লীগের মতো হয়ে যাবে। এগুলো করা যাবে না। আমরা একটা নতুন বাংলাদেশ চাই, পরিবর্তন চাই। আওয়ামী লীগের আগের মতো দুঃশাসন চাই না।