শিশুটির পরিবারে লোকজন জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ মঙ্গলবার রাতেই অভিযুক্ত মুদি ব্যবসায়ী আমির হোসেনকে আটকের চেষ্টা করে।
শিশুটির দাদা জানান, অভিযুক্ত আমির হোসেন পেশায় মুদি ব্যবসায়ী। ঈদুল ফিতরের পরের দিন ৩ নম্বর ওয়ার্ড আহম্মাদপুর ভুঁইয়া বাড়ির আমির হোসেন দোকানে কিছু কেনার জন্য শিশুটি গেলে এই ঘটনা ঘটে।
পরে শিশুটি বাসায় গিয়ে তার বাবাকে ঘটনার বর্ণনা দিলে তাকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য্য তাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন।
হাজীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ মহিউদ্দীন ফারুক বলেন, একটি শিশু ধর্ষণের শিকার হওয়ার খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠিয়েছি। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় এখন পর্যন্ত অভিযোগ দেয়া হয়নি।