কুমিল্লা-০৬ ( সদর )আসনে সবার আগে হাজী ইয়াছিন ও কুমিল্লা জেলা বিএনপির রাজনীতি- সাইফ উদ্দিন

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ৭ মাস আগে

হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন বিগত ১৭বছর দলের ও দেশের গনতন্ত্রের জন্য কাজ করেছে দল এখন উনাকে দেওয়ার পালা।
হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ জন্ম গ্রহন করেন। উনার শৈশব বয়স থেকে কুমিল্লার মানুষের জন্য কিছু করার অভিপ্রায় জাগে। তিনি ভাবলেন কর্মসংস্থান এর পাশাপাশি বড় পরিসরে জনসেবা করতে হলে রাষ্ট্রীয় ভাবে করা সহজ সেই ভাবনা থেকেই দলের জন্য কাজ করা শুরু করেন।
উনার সততা ও পরিশ্রমের মূল্যায়ন হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি উনাকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি অন্তর্ভুক্ত ইউনিট বৃহত্তর কোতয়ালী থানা বিএনপি আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপি ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত আহবায়ক পদে দায়িত্ব পালন করেন।
দল উনার দক্ষতার জন্য দলীয় মনোনয়ন এর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
হাজী ইয়াছিন, নিজের নেতৃত্ব নিরপেক্ষতা ও সততা দিয়ে কুমিল্লার জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের বিশ্বাস অর্জন করার কারনে দল উনাকে ২০০১ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য করেন।
যে মানুষ টি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ অর্থ,শ্রম,ত্যাগ মেধা দিয়ে সদর দক্ষিণ জাতীয়তাবাদী দল কে সুসংগঠিত করেছিলেন সে মানুষ কে ২০০১ সালে বঞ্চিত করা হয় তারপরও তিনি দলের জন্য কাজ করেছেন।
মরহুম কর্নেল আকবার হোসেন এর মৃত্যুর পরে বাংলাদেশে আসে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১/১১ সে সময় দলের দায়িত্ব নেওয়ার মতো লোক পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে!!
আমি একটা কথা ক্লিয়ারলি বলি আপনি ওয়ান ইলেভেনের আগে মন্ত্রী ,এমপি বা বিএনপির যত বড় নেতাই হউন না কেন যদি ১/১১ ও হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে এবং জুলাই গন অভ্যুত্থান পর্যন্ত আপনার দলে কোন ভূমিকা না থাকে আপনি সুবিধাভোগী নেতা।
এইসব সুবিধাভোগীর দালাল নেতা এখন যারা আসবে শাউয়া মাউয়া ভেঙে দিতে হবে।
মরহুম আকবর হোসেন এক সভায় বলেছিলেন আমার পরে এই কুমিল্লা সদর আসনে নির্বাচন করবেন হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন।
আমার চোখে দেখা দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মঈন উদ্দিন ও ফখরু উদ্দিন সেনা শাসনে শুরু হয় বিএনপির বিরুদ্ধে
মামলা ,হামলা,গ্রেফতার,নির্যাতন, সে সময় অনেক রাঘববোয়ালদের দেশ ছেড়ে চলে যায় কুমিল্লা তেও এক দিঘিতে টাকার বস্তা পাওয়া যায় সেই সময় দলের চরম ক্রান্তিলগ্নে ক্লিন ইমেজ নেতা হাজী ইয়াছিন, দলের হাল ধরেন কুমিল্লা।
ভুলে গেলে চলবেনা নিজ দলের ষড়যন্ত্রে বন্দী করা হয় বিএনপির চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদাজিয়া কে এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোকে জিয়া পরিবারের উপর নেমে আসে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নির্মম নির্যাতন।
জনাব ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানে কে গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হয়।
সে সময় কুমিল্লা দলীয় কর্মসূচী বাস্তবায়ন ও নেতাকর্মীদের পাশে থাকার জন্য হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন কে
কুমিল্লা সদর – ০৬ আসনে২০০৮ সালে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হয় দলের পক্ষ থেকে।
সে নির্বাচন ছিলো ডিজিটাল কারচুপি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হাসিনা ক্ষমতায় আসে।
প্রয়াত কর্নেল আকবর হোসেন এর মৃত্যুর পরে এই কুমিল্লা – ০৬ সদর আসনে ধানের শীষের কান্ডারি হিসেবে কাজ করেন।
হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে দেশকে তার দীর্ঘ শাসনের জন্য ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায়ের সূচনা হয় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ৫৭ জন আর্মি অফিসার কে নির্মমভাবে হত্যা করে হাসিনা তার ফ্যাসিস্ট শাসনের সূচনা করেন।
২০০৯ সালে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক দায়িত্ব নেন।
২০০৯ সালে কাউন্সিল এর মাধ্যমে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করেন
২০০৯ – ২০২২ সাল পর্যন্ত।
যে কমিটির সভাপতি ছিলেন কুমিল্লার সর্বজন শ্রদ্ধেয় সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরী।
এবং দলের প্রয়োজনে ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত উনাকে
সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করে।
হাসিনা বিডিআর বিদ্রোহের মাধ্যমে বাংলাদেশে এক দানবীয় শাসনের রুপান্তরিত করে তার এই দানবীয় শাসনের কিছু গডফাদার শামীম ওসমান ,কুমিল্লার হাজী বাহার এই শাসনের বিরুদ্ধে উনার শুরু হয় এক সংগ্রাম।
হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন কুমিল্লা রাজপথে আন্দোলন হরতাল ,অবরোধ,বিক্ষোভ মিছিল ,মানববন্ধন,সভা,লংমাচ,রোডমার্চ,
নেতাকর্মীদের মামলা ,হামলা,গ্রেফতার,নির্যাতন,ফেরারি ,
নেতাকর্মীদের সামর্থ্য অনুযায়ী সার্বিকভাবে সহযোগিতা ,আদালতে জামিন, কারাগারে মেডিকেল ব্যবস্থা,কারাগারে টাকাপয়সা দেওয়া ,প্রচার প্রচারনা,দলের
প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে ১/১১ থেকে জুলাই গন অভ্যুত্থান ২০২৪ পর্যন্ত উনার কুমিল্লা রাজপথে কত কোটি টাকা দলের জন্য ব্যয় করেছেন প্রশ্ন রেখে গেলাম।
সে সময় কুমিল্লা কোন নেতা ছিলো না ছিল একমাত্র হাজী ইয়াছিন, তবে সবচেয়ে দু:খজনক বিষয় কুমিল্লা বহিস্কৃত এক নেতা দানবীয় বাহারের সাথে মিলে কুমিল্লার মূল ধারার নেতাকর্মীদের মামলা দিত আর আয়েশি জীবন ৬০/৪০% চলতো।
এরা এখন আবার মাথাছাড়া দিয়েছে।
সারা বাংলাদেশে যে কয়েকটি জেলা মহানগর আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান চোখে পড়তো তারমধ্যে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি অন্যতম।
কুমিল্লা তে ছাত্রনেতা দেলোয়ার হত্যা. বিডি আর হত্যা, চৌদ্দগ্রাম বাস পোড়ানো মামলা প্রতিটি মামলার জামিন ভূমিকা হাজী ইয়াছিন,
দলের চরম ক্রান্তিলগ্নে উনাকে ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ত্রান ও পুনবাসন সম্পাদক দায়িত্ব দেওয়া হয় যেখানে উনি ত্রান-সাহায্য দলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন ভূমিকা রাখে।
আমি হলপ করে বলতে পারি উনার প্রতিটি টাকা উনার ব্যবসা
বানিজ্য থেকে নেওয়া।
যে মানুষ টি অর্থ উপার্জনের জন্য রাজনীতি করেনা।
উনার একটাই লক্ষ্য কুমিল্লার জনগণের সেবা করা।
২০১২,২০১৩,২০১৪,২০১৫ ,২০১৬,২০১৭এই চার বছরে সর্বোচ্চ হরতাল /অবরোধ দেয় যার সব দেখভাল করেন হাজী ইয়াছিন,
৯২ দিন টানা অবরোধ হরতাল পালন হয় কুমিল্লার রাজপথে প্রতিটি আন্দোলনের স্বাক্ষী আমি।
তিনি ১৬/১৭ বছর স্বৈরাচার সরকারের আমলে কুমিল্লার রাজপথ অলি গলিতে উনার উপস্থিতি এবং উনার দলীয় নেতাকর্মীরা কর্মসূচি পালন করেছেন।
উনার উপস্থিতি নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হতেন।
অত্যাচারী স্বৈরশাসকের শত বাধা বিপত্তি মোকাবিলা করে
দলকে নেতৃত্ব দিতেন।
হাজী ইয়াছিন এর নেতৃত্ব অধীনে কর্মসূচী বাস্তবায়ন হলে
উনি এই অর্জন তার নেতাকর্মীদের মধ্য উপহার হিসেবে
নেতৃত্ব ভাগ করে দিতেন নিজে ক্রেডিট নিতেন না।
উনার দলের প্রতি ডেডিকেটেড ,সততা,স্বচ্ছতা,পরিচ্ছন্ন,
রাজনীতির কারনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক ২০১৮ সালে কুমিল্লা সদর -০৬ আসন ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেন।
২০২২ সালে-২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক দায়িত্ব পালন করেন।
হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন ১/১১ থেকে শুরু করে ২০০৭/০৮/০৯/১০/১১/১২/১৩/১৪/১৫/১৬/১৭/১৮/১৯/২০/২১/২২/২৩/২৪/ জুলাই গন অভ্যুত্থান পর্যন্ত শুধু কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি নয় কুমিল্লা মহানগর বিএনপি সিটি করপোরেশন হওয়ার পর থেকেই আগে শহর বিএনপির ব্যানারে তারপর কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ব্যানারে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন।
যার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ২০২৫ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করে।
তিনি তার সততা মেধা দিয়ে রাজনীতির পাশাপাশি
ব্যবসায়ী জীবনে ও সফল কুমিল্লা আদর্শ সদর বহু লোকের কর্মসংস্থান করেছেন তিনি জাতীয় সন্মাননা ও স্বীকৃতি শ্রেষ্ঠ করদাতা – ০৪ বার, সি আই পি ( CIP – ১৩ বার)
জাতীয় রপ্তানি ট্রফি( স্বর্ন ও রৌপ্য ) – ১২ বার।
হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবীদ
এই কুমিল্লা নিয়ে উনার স্বপ্ন কুমিল্লা নামে বিভাগ বাস্তবায়ন ,
সিটি করপোরেশন সম্প্রসারণ ,মেট্রোপলিটন থানা,কুমিল্লা উন্নয়ন গোমতী নদীতে দুইটি ব্রিজ ,চানপুর ব্রিজের ডাবল লেন,কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু,প্রবাসী ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের আবাসন প্রকল্প,কুমিল্লা কে একটা আধুনিক যানযট ও জলবদ্ধতা মুক্ত আধুনিক বাসযোগ্য শহর তৈরি করা,সন্ত্রাস,চাঁদা বাজ ,পেশিশক্তি মুক্ত মাদকমুক্ত ,আধুনিক সমাজ প্রতিষ্ঠা,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ৩১ দফা বাস্তবায়নে শিক্ষা ,শিল্প কর্মসংস্থান ,স্বাস্থ্য,কৃষি খাদ্য,
মত প্রকাশের স্বাধীনতা ,আইনের শাসন ,শ্রমিকের অধিকার,নারী শিশুর সামাজিক নিরাপত্তা ,ধর্মীয় মূল্যবোধ ও স্বাধীনতা মোট কথা বিএনপি কে এই হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এর মতো নেতারা আছে বলে এই দল এখনো টিকে আছে আগামী দিনেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ৩১ দফা বাস্তবায়নে উনাদের বিকল্প নেই।
উনার ক্যারিশমাটিক নেতৃত্ব কুমিল্লা বিএনপি ,ছাত্রদল,যুবদল,মহিলাদল,সেচ্ছাসেবক সহ সকল সংগঠন ঐক্যবদ্ধ সবচেয়ে বড় কথা হল বাংলাদেশের শত শত তাজা প্রানের বিনিময়ে জুলাই গন অভ্যুত্থান যে চাওয়া বৈষম্য হীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় উনি উনার সততার প্রমান রেখেছে উনি এবং উনার নেতাকর্মীদের প্রতি ক্লিয়ার বার্তা দলের সুমাম রক্ষায় শতভাগ সফল।
উনি সকল পরীক্ষায় ইতিমধ্যে উন্নীত হয়েছে।
জুলাই গন অভ্যুত্থান এর দলের কিছুটা সুদিন কিন্তু এই সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী যারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনা করেছে এরা হঠাৎ কিং জম উন এর দেশ থেকে হাজির হয়েছে।
আবার অনেকে বিভিন্ন সিন্ডিকেট ভাগবাটোয়ারা ব্যস্ত আপনাদের কৃতকর্মের দল অবগত।
বিগত সংগ্রাম ,ত্যাগ,নির্যাতন ,মামলা হামলা সকল পরীক্ষায় নেতা শতভাগ সফল।
হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন ২০২৫ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন উপদেষ্টা নির্বাচিত হয়েছেন।
জুলাই গন অভ্যুত্থান এর পরে কুমিল্লাতে হাজী ইয়াছিন
একমাত্র নেতা যিনি এক টাকা কারও কাছ থেকে নিয়েছে কেউ
প্রমান দিতে পারবেন উনার সততা জন্য
হাজী ইয়াছিন মনে প্রানে বিশ্বাস করেন ইসলামের প্রতি।
তিনি বিশ্বাস করেন
বল, হে আল্লাহ ,রাজত্বের মালিক আপনি যাকে চান রাজত্ব দান করেন,আর যার থেকে চান রাজত্ব কেড়ে নেন এবং যাকে চান সন্মান দান করেন,আর যাকে চান অপমানিত করেন,আপনার হাতেই কল্যান ,নিশ্চই আপনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন বিশ্বাস করেন ২০০৮ ,২০১৮ এর ন্যায় কুমিল্লা সদর, সদর দক্ষিণ ,সিটি কর্পোরেশন ,ক্যান্টনম্যান্ট কুমিল্লা -০৬ আসন উনার বিগত সততা কার্যক্রমের মূল্যায়ন পাবেন।
ইতিমধ্যে উনার এই আসনে তিনটা জরিপ সহ সকল দিক দিয়ে উনার প্রার্থী ঘোষণা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র
কারণ উনার মতো নেতাদের থেকে দলের ভবিষ্যৎ কারা দল করবে তাদের সিগনাল নীতিনির্ধারণী হবে।
কারন দলের পরীক্ষীত সৈনিক
আমাদের সংগ্রাম শেষ হয়নি দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র ,এক অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই এই দেশে বিএনপি ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে সরকার গঠনে হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এর মতো নেতাদের কাছে নিরাপদ।
আপনার সততা ,প্রজ্ঞা/মেধা বিচক্ষণতা ,বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কুমিল্লার রাজনীতি আর ও এগিয়ে যাবে।
কুমিল্লা ০৬ সংসদীয় আসনে জনগণের হ্রদয়ে আপনার জায়গা
তাই আপনিই প্রকৃত নেতা
তাই প্রিয় নেতা ,আপনার দুরদর্শিতার ও নেতৃত্বের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ,আপনার মতো যোগ্য নেতা এই কুমিল্লা সংসদীয় আসনে
একবার নয় বার বার আসুক,আপনার ১৬/১৭ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম ও কুমিল্লার নেতাকর্মীদের প্রতি ও কুমিল্লা জনগণের প্রতি সততা সকলের জন্য অনুপ্রেরণা।
তাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান কর্মীবান্ধব ও দক্ষনেতা আপনার ৩১ দফা বাস্তবায়নে হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন এর মতো নেতা বাছাইয়ের বিকল্প নেই।
সবার আগে যেমন বাংলাদেশ
লেখক :
সাবক সাংগঠনিক সম্পাদক
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল।
যুগ্ম আহবায়ক
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।