সংবাদ শিরোনাম
বুধবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
কাবা শরিফের নকল গিলাফ তৈরির কারখানার সন্ধান!অবসরপ্রাপ্ত এসআই হাতে লেখেন পুরো কুরআনহিন্দি গানে নেচেছি, কারও মন্তব্যে কিছু যায় আসে না: সেই অধ্যক্ষের দম্ভোক্তি (ভিডিও)৫৬ বছরেও কেউ খবর রাখেনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজরিত লাকসাম পাবলিক হলেরকুমিল্লায় টি ২০ ক্রিকেটে আশরাফুল ও সাব্বিরশালবন ওয়ারির্স-হেভেন টুয়েন্টি ওয়ানের জয়কুমিল্লায় ভেকুর আঘাতে নিহত-১ আহত -৫নাটাব কুমিল্লার মতবিনিময় সভায় বক্তারা- নিয়মিত ঔষধ খেলে য²া ভাল হয়লাখ টাকা বেতন পেতাম, পদত্যাগ করায় ড্রাইভার চলে গেছে: ব্যারিস্টার সুমননামাজ না পড়লে বেতন কাটার সেই নোটিশ বাতিল করল গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষগরু কচুরিপানা খেতে পারলে আমরা কেন পারব না: পরিকল্পনামন্ত্রী (ভিডিও)কাঠালের আকার ‘সভ্য’ করতে বললেন পরিকল্পনামন্ত্রীচাঁদপুরে নিষিদ্ধ পলিথিন পেল মুক্তা পানি কর্তৃপক্ষচাঁদপুর শহরের প্রবেশ পথে আর্বজনার স্তুপপেরেকে ক্ষত-বিক্ষত নগরীর গাছগুলোকুমিল্লায় এশিয়া বাসের চাপায় নিহত একচান্দিনায় সরকারি গাছ কর্তনের অভিযোগপাঠকের চিঠি… প্রসঙ্গ ভিক্টোরিয়া কলেজ নজরুল হলের দুরাবস্থাবাংলাদেশ ভারতের চেয়ে কোথায় কোথায় এগিয়ে দেখিয়ে দিল হিন্দুস্তান টাইমসচৌদ্দগ্রামে মানব পাচারকারী চক্রের ৩জন সদস্য গ্রেফতার ১জন নারীসহ ৩ জন রোহিঙ্গা উদ্ধার

এক্সক্লুসিভ :ঘরে দুই স্ত্রী রেখে পরকীয়া আজমীরিকে ভালোবেসে জেলে ইন্সপেক্টর সালাউদ্দিন

স্টাফ রিপোর্টার।। ঘরে দুই স্ত্রী। সুশ্রী-সুন্দর দু-জনই। তারপরও পরকীয়ায় মজেছেন পুলিশের পরিদর্শক মো. সালাউদ্দিন। এর এতে ফেঁসে গেছেন তিনি। আজমীরি খন্দকার পপির ভালোবাসা নিয়ে গেছে তাকে জেলে। গতকাল রোববার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তাকে। প্রথম স্ত্রীও মামলা করেছেন তার বিরুদ্ধে। সালাউদ্দিন কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ছিলেন।

সালাউদ্দিনের প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহার সুইটির ঘরে ৯ বছরের একটি ছেলে ও ৫ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। সুইটির সঙ্গে সালাউদ্দিনের বিয়ে হয় ২০০৬ সালে। এর ৮ বছর পর বিয়ে করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেয়ে পান্নাকে। পান্নার ঘরে রয়েছে ৩ বছরের আরেকটি কন্যা সন্তান। কুমিল্লায় একটি মামলার কাজে সালাউদ্দিনের কাছে গিয়ে ফাঁদে পড়েন পান্না। অবশেষে দুই স্ত্রীই সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা করেন। রোববার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার সাদাত দ্বিতীয় স্ত্রী পান্নার মামলায় জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন সালাউদ্দিনকে। পান্না গত ১লা ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে এ মামলা করেন। এই মামলায় বিচারক সমন জারি করে সালাউদ্দিনকে ১৫ই ডিসেম্বর অর্থাৎ রোববার আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। সমন অনুসারে সালাউদ্দিন আদালতে হাজির হলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৪ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার মৃত শরাফ উদ্দিনের মেয়ে তাহমিনা আক্তার পান্নার সঙ্গে ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক চট্টগ্রামের হাটহাজারী উত্তর মাদ্রাসা এলাকার সামসুল আলমের ছেলে সালাউদ্দিনের দ্বিতীয় বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ১৫ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়। বিয়ের পর তাহমিনা একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন। তার বয়স তিন বছর। গত তিন-চার মাস আগে তাহমিনার কাছে ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন সালাউদ্দিন। গত ১৫ই নভেম্বর সালাউদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসে শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সামনে পুলিশের চাকরিতে পদোন্নতির কথা বলে আবার ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের ২০ লাখ টাকা না দিলে অন্যত্র বিয়ে করবে বলে তাহমিনাকে ভয় দেখান সালাউদ্দিন।
টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাহমিনাকে নাকে মুখে চর-থাপ্পড়, কিল, ঘুষিসহ এলোপাতাড়ি মারধর করেন সালাউদ্দিন। পরে স্ত্রী ও সন্তানকে ফেলে রেখে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। ঘটনার পরপর বিষয়টি কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে জানিয়েও কোনো বিচার পাননি তাহমিনা। এজন্য বিচার পাওয়ার আশায় তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন বলে এজাহারে উল্লেখ করেন। পান্নার আইনজীবী তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত বলেন, যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তাহমিনা। এই মামলার একমাত্র আসামি পুলিশ পরিদর্শক সালাউদ্দিন গতকাল আদালতে হাজির হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ওদিকে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে গত ৩০শে নভেম্বর তার প্রথম স্ত্রী শামসুন নাহার সুইটি কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে যৌতুক ও নির্যাতনের আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আদালত তদন্তের নির্দেশ দেয়। এছাড়াও ভয়ভীতি দেখিয়ে দেড় কোটি টাকার চেক আদায়ের অভিযোগে কুমিল্লার ১ নম্বর আমলি আদালতে আরেকটি মামলা করেন কুমিল্লা নগরের মনোহরপুর এলাকার বাসিন্দা মো. মহিউদ্দিন। এসব মামলার পরই কুমিল্লার কোতয়ালি থানার তদন্ত পরিদর্শকের দায়িত্ব থেকে সালাউদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়। তাঁকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।-মানবজমিন থেকে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন............
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *