স্কুলে যাওয়ার পর নিখোঁজ, বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির মাটির নিচে মিললো মরদেহ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২ দিন আগে

জামালপুরের মাদারগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মরদেহ বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির একটি বসতঘরের মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম মরিয়ম (৭)। সে চরলোটাবর এলাকার বাহাদুরের মেয়ে। মরিয়ম ওই এলাকার সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই বাড়ির মালিক জামিনুরকে আটকের পর আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এর আগে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জামিনুরের বসতঘর থেকে মাটিচাপা অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর নিখোঁজ হয় মরিয়ম। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। আত্মীয়স্বজনের বাড়ি, আশপাশের এলাকা ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরে শনিবার রাতে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পাওয়া যায়, বিদ্যালয়ের পাশের একটি বসতঘরের মাটির নিচে কিছু চাপা দেওয়া রয়েছে। এরপর সেখানে খোঁজ নিয়ে মরিয়মের মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ মাটি সরিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। কীভাবে মরিয়ম ওই বাড়িতে গেল, তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত এসব বিষয় সামনে রেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় বলেন, ‘শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে থানায় আনা হয়। পরে জড়িত থাকার অভিযোগে বাড়ির মালিক জামিনুরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।’