কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়নের পোম্বাইশ গ্রামের খামার বাড়ির বাসিন্দা ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী ও মামলাবাজ আওয়ামী লীগ নেতা জলিলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের ভয় দেখিয়ে মিথ্যা মামলা দেওয়া ছিল তার নেশা ও পেশা। ২০০৯, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের আওয়ামীগের পাতানো নির্বাচনে নৌকা মার্কার এজেন্ট হিসবে কৃষ্ণপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে কাজ করে। এসব নির্বাচনে ভোটারদের কেন্দ্রে না যেতে অস্ত্রসস্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্রে যেতে বাধা প্রদান করত। ভূমিদস্যু জলিলকে গ্রেফতার করতে অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের কাছে আকুতি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
জানা যায়, জলিল সন্ত্রাসী দিয়ে রাতের আধারে পোম্বাইশ গ্রামের খামার বাড়ির বাসিন্দা আব্দুল কাদেরের ছেলে মানিক হোসেনের বসতবাড়ী ও সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে ও হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে মহড়া দেয়। জলিলের ছেলে তুহিন, মেয়ের জামাই চান্দিনা জটাসার গ্রামের বাসিন্দা আতিকসহ বহিরাগত ৮/১০ সন্ত্রাসী নিয়ে এ হামলা করে বলে জানান এলাকাবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দাদেরঅভিযোগ, তৎকালীন আওয়ামী লীগের শাসনামলে জলিলের বাড়িতে এলাকার সকল অপকর্মের পরিকল্পনা হতো, গ্রামের কারো সাথে সামান্য বিষয় নিয়ে কিছু হলে মামলা দিয়ে হয়রানি করতো। পোম্বাইশ গ্রামে ১০/১২ ফুট সরকারি জায়গা দখল করে বসতঘর, দোকান নির্মাণ করারও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী নাজমুল হক জানান, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থার দিকে আমরা এগুচ্ছি।